সৈয়দপুরে ৫০ লাখ টাকার সম্পত্তি দখলের অভিযোগে ভাবী-ননদের দ্বন্দ্ব
বাংলাদেশ

সৈয়দপুরে ৫০ লাখ টাকার সম্পত্তি দখলের অভিযোগে ভাবী-ননদের দ্বন্দ্ব

<p><span style="font-size: 0.8375rem;"><b>নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : </b>নীলফামারীর সৈয়দপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে এক ভাবীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে অভিয

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে এক ভাবীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে অভিযোগ করেছেন শহরের কয়া গোলাহাট এলাকার বাসিন্দা মুন্নী বেগম (৫০)।

রবিবার সকালে নিজ বসতবাড়িতে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে তিনি জানান, তার বাবা কোরবানী আলী মৃত্যুর পর ছেলে মাহবুবার রহমান ও মেয়ে মুন্নী বেগমকে ওয়ারিশ রেখে যান। সেই সূত্রে বাবার রেখে যাওয়া স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বৈধ মালিক হন তারা দুই ভাই-বোন।

মুন্নী বেগম দাবি করেন, কয়া মৌজার সি.এস ১৫২৪, এস.এ ১২১৯ ও বি.এস ১৬৯৭ দাগে মোট ৮ শতক জমি ও তার ওপর নির্মিত স্থাপনার অংশ হিসেবে তিনি ২.৬৬৬ শতক জমি, দুটি দোকানঘর ও বসবাসের জন্য তিনটি কক্ষ ভোগদখল করে আসছেন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

তিনি আরও জানান, তার ভাই মাহবুবার রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রুবিনা খাতুন, ছেলে মতিউর রহমান ও মেয়ে হোমা আখতার নাজনী উত্তরাধিকার হন। এরপর থেকেই ভাবী রুবিনা খাতুন তার ভোগদখলীয় সম্পত্তির ওপর দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলেও জানান মুন্নী বেগম। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভাতিজার ভরণপোষণের জন্য তিনি রুবিনা খাতুনকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। এ বিষয়ে ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও সম্পাদিত হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও উপস্থিত ব্যক্তিরা স্বাক্ষর করেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, আপোষ মীমাংসার কিছুদিন পর পুনরায় জমি ও স্থাপনা দখলের চেষ্টা শুরু করেন রুবিনা খাতুন। ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে বসতবাড়ি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য ভুক্তভোগী মুন্নী বেগম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন: